আধুনিক ও গণ-উৎসব হিসেবে বাংলায় রাখি বন্ধন উৎসব চালু করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

আধুনিক ও গণ-উৎসব হিসেবে বাংলায় রাখি বন্ধন

রাখী বন্ধন নিয়ে যতই পৌরাণিক গল্প উপস্থাপন হোক আসলে এটা হিন্দু সম্প্রদায়ের কোন উৎসব নয়। সময়ের বিবর্তনে কিছু হিন্দু এটাকে তাদের ধর্মীয় উৎসব বলছে। কিছু মুসলিম এটাকে হিন্দু কালচার বলছে। আসলে দু,টোই সঠিক নয়। এ নিয়ে মিডিয়াও স্পষ্ট ধারনা দেয় না। তাই অন্ধকারে থাকে হিন্দু- মুসলিম।

বঙ্গভঙ্গ ও রাখি বন্ধন

১৯০৫ সালে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ ঘোষণা করে। এই বিভাজনের প্রতিবাদে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাধারণ মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দিতে রাখি বন্ধন উৎসবের প্রচলন করেন। গঙ্গায় স্নান করে এসে তিনি বঙ্গভঙ্গ রোধে সম্প্রতির বন্ধন স্বরুপ রাখী বেধে দেন। জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে হিন্দু ও মুসলিম ভাই-বোনদের একে অপরের হাতে রাখি পরানোর আহ্বান জানান তিনি।এর মূল উদ্দেশ্য ছিল—বাঙালিকে মানসিকভাবে বিভক্ত না হতে দেওয়া এবং অটুট ঐক্য বজায় রাখা।

উৎসব মুখর রাখী বন্ধনে পশ্চিম বঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রেসক্লাবে ছিলেন, কেন্দ্রীয় লোকসভার সংসদ সদস্য এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। হিলি সীমান্তের জিরো পয়েন্টে আরন্যক সোসাইটি ফর ডেভোলেপ্টমেন্ট। যার কর্নধার দীপক কুমার ঘোষ। অনুষ্ঠানে ছিলেন পশ্চিম বঙ্গের বিধায়ক বিদ্যুত কুমার রায়।

লেখক:

সাংবাদিক ও কলামিস্ট জিয়া শাহীন

সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি 

বগুড়া প্রেসক্লাব।